This website is about recent job circulars including govt jobs, bank job, govt bank job, private bank job, non bank financial organization job, public job, private job etc.It also includes BCS and other job preparation,job exam result, job exam schedule and job news in Bangla.

Breaking

Wednesday, October 24, 2018

পরিসংখ্যান ক্যাডারে প্রথম হওয়া মোহাম্মদ কামাল হোসেন কর্তৃক প্রদানকৃত বিসিএস প্রার্থীদের জন্য দিক নির্দেশনা ও সিলেবাস ট্রিক

অাসসালামু অালাইকুম,
প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ। যারা বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, অাসুন অামার প্রস্তুতির অভিজ্ঞতা থেকে প্রিলির পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস দখলে আনার উপায় বের করতে কিছু বিষয় নিয়ে অালোচনা করি। প্রত্যেক ক্যান্ডিডেট নিজের পরিকল্পনা দিয়েই সফল হন। তাই, মূল কাজটা অাপনারই হাতে। এই লেখায়, অামি অাপনার পরিকল্পনাকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করব। এক প্রস্তুিতেই বিসিএস এবং অন্যান্য সকল জব পরীক্ষায় ভাল করা সম্ভব। চলুন দেখি, কীভাবে একটা ইনক্লুসিভ প্রস্তুতি নেয়া যায়।
শুরুতেই নতুনদের জন্য কিছু কথা বলে নিচ্ছি। অ্যাকাডেমিক রেজাল্ট ভাল রাখার চেষ্টা করবেন। চাকরিসহ জীবনের অনেক ক্ষেত্রে ভাল অ্যাকাডেমিক রেজাল্ট আপনাকে এগিয়ে রাখবে। উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত ১২ বছরে আমরা যা শিখে আসি, তা থেকেই বিসিএস এর বেশির ভাগ প্রশ্ন হয়। এখন কাজটা হলো, সেই শিক্ষাটা ধরে রাখা এবং তার সাথে নতুন কিছু যুক্ত করা।
সেই লক্ষ্যে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত যে কোনো ক্লাসের শিক্ষার্থীকে ইংরেজি ও বাংলা পড়ানোর দক্ষতা রাখুন। সাথে অভিজ্ঞতা থাকলে অারও ভাল। ভূগোল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ইতিহাসও চর্চায় রাখবেন।
মাধ্যমিক পর্যন্ত যে কোনো ক্লাসের শিক্ষার্থীকে গণিত এবং সাধারণ বিজ্ঞান পড়ানোর দক্ষতা রাখুন। তবে আগেই বলেছি, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দুটোই থাকা ভাল।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসাবে, আপনার যেসব কিছু জানা আছে বলে আম জনতা বিশ্বাস করে, বাস্তবেও তা জানুন। যেমন: শুদ্ধ ইংরেজি, শুদ্ধ বাংলা, দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধ, রাষ্ট্রের কাঠামো, সংবিধান, চলমান ঘটনাপ্রবাহ ইত্যাদি। এর সাথে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনীতি এবং রাজনীতি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখুন।
যারা স্নাতক তৃতীয় বর্ষ শেষ করেছেন, তারা অ্যাকাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি বিসিএস প্রিলিমিনারির প্রশ্নব্যাংক (উত্তরসহ) এবং প্রয়োজনীয় বইপত্র সংগ্রহ করে বিসিএস এর সিলেবাস মিলিয়ে পড়াশোনা শুরু
করুন। সবার অাগে প্রশ্নব্যাংকটি পড়ুন। এরপর বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি নিন।
বাংলা ভাষার জন্য শুরুতেই হুমায়ুন আজাদ স্যারের 'কতো নদী সরোবর' এবং মাধ্যমিকের বাংলা ব্যাকরণ বই দুটি মনোযোগসহ একটানে রিডিং পড়ে নিন। ২য় বার পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো দাগিয়ে নিন। এরপর রিভাইস করুন। অার বাংলা সাহিত্যের জন্য 'লাল নীল দীপাবলি' এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের সাহিত্যাংশের লেখক পরিচিতি পড়ে নিন। এবার প্রস্তুতিটাকে সর্বাঙ্গীণ করতে ড. সৌমিত্র শেখর স্যারের ‘বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা’ এবং নিচের ২টি থেকে অন্তত ১টি বই পড়ুন।
১) রানা ঘোষ স্যারের ‘সাহিত্য কথা’
২) মোহসিনা নাজিলার ‘শিকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য’
একটি টপিকস এর উপর একাধিক উৎস হতে যা শিখেছেন তা একসাথে রিভাইস দিন এবং পড়াশোনার মধ্যে থাকুন।
প্রিলিমিনারিতে বাংলার সিলেবাসে মোট নম্বর-৩৫
ভাষা থেকে : প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, বানান ও বাক্য শুদ্ধি, পরিভাষা, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ, ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, পদ, বাক্য, প্রত্যয়, সন্ধি ও সমাস।(১৫ নম্বর)
সাহিত্য থেকে :
ক) প্রাচীন ও মধ্যযুগ (৫ নম্বর)
খ) আধুনিক যুগ (১৮০০-বর্তমান পর্যন্ত) (১৫ নম্বর)
গ্রামার অংশের জন্য পড়াশোনার মূল বিষয় হলো, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের সিলেবাসভুক্ত টপিকগুলো। এর সাথে, Vocabulary, Subject-Verb-Agreement এবং Sentence Correction নিয়ে বাড়তি চর্চা করতে হবে। কোনো টপিক-এ দুর্বলতা থাকলে তা এখনই কাটিয়ে নিন। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের মডেল টেস্ট বই থেকেও চর্চা করতে পারেন। এর সাথে প্রফেসরস্ এর ‘English For Competitive Exam’, মো: জাহাঙ্গীর আলমের ‘MASTER’ এবং টি. জে. ফিটিকিডস্ এর 'Common Mistakes in English' পড়ুন। একই টপিকস একাধিক উৎস থেকে পড়ুন।
এর সাথে CLIFFS TOEFL, BARRON'S TOEFL, GRE Vocabulary / Oracle Vocabulary With Mnemonic / S@aifur's Vocabulary সংগ্রহে রাখতে পারেন। একই বইতে সকল টপিকস সুন্দরভাবে উপস্থাপিত থাকেনা।
ইংরেজি সাহিত্যের জন্য শরীফ হোসেন আহমেদ চৌধুরী স্যারের 'A Handbook on English Literature' বইটি একটানে পড়ে নিন। এর সাথে প্রফেসরস্ এর ‘English For Competitive Exam’, এর সাহিত্যাংশ পড়ুন। এই অংশে মারকস্ তোলা সহজ। ইংরেজি সাহিত্যের বিভিন্ন যুগ, বিভিন্ন যুগের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ও তাঁদের সাহিত্য কর্ম, বিখ্যাত কিছু সাহিত্যিক উক্তি এবং লিটারারি টার্মস্ থেকে প্রশ্ন হয়।
প্রিলিমিনারিতে English Language and Literature এর সিলেবাসে মোট নম্বর-৩৫
Part-I: Langauge-20 marks
A) Parts of Speech:
The Noun: the Determiner, the Gender, the Number,
The Pronoun,
The verb: The Finite- transitive, intransitive; The Non-finite: participles , infinitive, gerund; The Linking Verb; The Phrasal Verb; Modals.
The Adjective
The Adverb
The Preposition
The Conjunction
The Interjection
B) Idioms & Phrases : Meanings Phrases, Kinds of Phrases, Identifying Phrases.
C) Clauses: The Principal Clause; The subordinate Clause: the Noun Clause, the Adjective Clause, the Adverbial Clause and its types.
D) Corrections: The Tense, The Verb, The Preposition, The Determiner, The Gender, The Number, Subject-Verb-Agreement.
E) Sentence and Transformations: Simple-Complex-Compound, The Voice Change, The Degree of Comparisons.
F) Words: Meanings, Synonyms, Antonyms, Spellings, Usage of words as various parts of speech, Formations of new words by prefixes and suffixes.
G) Compositions: Names of parts of paragraphs/Letters/Applications.
Part-II: Literature-15 Marks
H) Names of writers of literary pieces from Elizabethan period to the 21st Century.
I) Quotations from drama/poetry of different ages.
এই অংশের সিলেবাসটা একটু বড়। পড়াশোনাও একটু বেশী করতে হয়। শুরুতে বিগত সালের প্রশ্নগুলো (উত্তরসহ) পড়ে নিবেন। প্রাচীন অামল, মুসলিম অামল, ইংরেজ অামল, পাকিস্তান অামল, ভাষা অান্দোলন, গণঅভ্যুত্থান, সাধীনতা সংগ্রাম, দেশের অর্থনীতি, কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্য, জনমিতি, সরকার ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, জাতীয় অর্জনসমূহ, বিভিন্ন সূচক, সংস্কৃতি, সংবিধান ইত্যাদির উপর প্রশ্ন হয়।
মাধমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের ইতিহাস, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, 'বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা', জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্য 'স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস' পড়বেন। এর সাথে MP3 সিরিজের 'সাধারণ জ্ঞান: বাংলাদেশ ' অথবা 'অাজকের বিশ্ব' নিয়মিত পড়ুন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সূচিপত্রটা মুখস্ত করে রাখবেন। সহজে বুঝতে অারিফ খানের 'সহজ ভাষায় বাংলাদেশের সংবিধান' বইটি পড়তে পারেন। প্রথম তিন ভাগে বেশি জোর দিবেন। অন্য ভাগগুলো ভালভাবে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ গুলো সিরিয়াল নম্বরসহ মনে রাখবেন।
বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, সংসদ অধিবেশন, দৈনিক পত্রিকা, গুগল, উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া ইত্যাদি কাজে লাগান।
প্রিলিমিনারিতে বাংলাদেশ বিষয়াবলীর সিলেবাসে মোট নম্বর- ৩৫
১. বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী:
প্রাচীনকাল হতে সম-সাময়িক কালের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, ছয়-দফা আন্দোলন-১৯৬৬, গণঅভ্যুত্থান ১৯৬৮-১৯৬৯, ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন, অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১, ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ। স্বাধীনতা ঘোষণা, মুজিবনগর সরকারের গঠন ও কার্যাবলী, মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল, মুক্তিযুদ্ধে বৃহৎ শক্তিসমূহের ভূমিকা, পাকিস্তানী বাহিনীর আত্মসমর্পণ এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়। (০৬ নম্বর)
২. বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: শস্য উৎপাদন এবং বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা।(০৩ নম্বর)
৩. বাংলাদেশের জনমিতি: জনসংখ্যা, আদমশুমারী, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। (০৩ নম্বর)
৪. বাংলাদেশের অর্থনীতি: উন্নয়ন পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজনীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র বিমোচন ইত্যাদি। (০৩ নম্বর)
৫. বাংলাদেশে শিল্প ও বাণিজ্য: উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানিকরণ , গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (০৩ নম্বর)
৬. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান: প্রস্তাবনা ও বৈশিষ্টসমুহ, মৌলিক অধিকারসহ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ, অনুচ্ছেদসমূহ, সংবিধানের সংশোধনীসমূহ। (০৩ নম্বর)
৭. বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা: রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা। (০৩ নম্বর)
৮. বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা: আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার। (০৩ নম্বর)
৯. বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, খেলাধুলা, চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। (০৩ নম্বর)
বাংলাদেশ বিষয়াবলীর মত অান্তর্জাতিক বিষয়াবলীরও সিলেবাস বড়। এখানেও শুরুতে বিগত সালের প্রশ্নগুলো (উত্তরসহ) পড়ে নিন। MP3 সিরিজের 'সাধারণ জ্ঞান: অান্তর্জাতিক' অথবা 'অাজকের বিশ্ব' নিয়মিত পড়ুন। এছাড়াও মাধমিক ও উচ্চমাধ্যমিক লেভেলের ইতিহাস, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা পড়বেন।
দৈনিক পত্রিকা, সাম্প্রতিক সমীক্ষা, গুগল, উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া ইত্যাদি থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন, নোট নিন এবং সেটা নিয়মিত রিভাইস করুন।
প্রিলিমিনারির সিলেবাসে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর
পূর্ণমান-২০
১. বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি। (০৪ নম্বর)
২. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক। (০৪ নম্বর)
৩. বিশ্বের সাম্প্রতিক ও চলমান ঘটনাপ্রবাহ। (০৪ নম্বর)
৪. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি। (০৪ নম্বর)
৫. আন্তর্জাতিক সংগঠনসমূহ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানাদি। (০৪ নম্বর)
প্রিলিমিনারিতে এই অংশ থেকে ১০ নম্বরের প্রশ্ন হয়। মাধ্যমিকের ভূগোল ও পরিবেশ এবং উচ্চমাধ্যমিকের ভূগোল বইয়ের পাশাপাশি এই অংশের জন্য একটি ডাইজেস্ট বই ফলো করতে পারেন। অবশ্য সব বিষয়ের জন্যই ডাইজেস্ট বইতে যা দেয়া থাকে তা পড়ে নেয়া প্রয়োজন।
প্রিলিতে ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সিলেবাসে মোট নম্বর-১০
১. বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব। (০২ নম্বর)
২. অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব। (০২ নম্বর)
৩. বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমুহ। (০২ নম্বর)
৪. বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন : অভিবাসন, কৃষি, শিল্প ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। (০২ নম্বর)
৫. প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধরণ, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা।(০২ নম্বর)
যে সকল ক্যান্ডিডেট পূর্বে বিজ্ঞান বিভাগে ছিলেন না, এই বিষয়ে ভাল করতে হলে তাদেরকে অনেক কৌশলী এবং সতর্ক হতে হবে। মাধ্যমিক সাধারণ বিজ্ঞান ভালভাবে পড়তে হবে।
মাধ্যমিক পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বই নিয়ে প্রিলির সিলেবাস থেকে টপিক মিলিয়ে পড়বেন। অামি গাইড বই হিসাবে ওরাকলের 'বিসিএস প্রিলিমিনারি সাধারণ বিজ্ঞান, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি' বইটি পড়েছি। এই বইটি মনসম্মত তবে একটু বড়। দাগিয়ে পড়বেন।
প্রিলিতে সাধারণ বিজ্ঞানের সিলেবাসে মোট নম্বর-১৫
ভৌত বিজ্ঞান: (০৫ নম্বর)
পদার্থের অবস্থা, এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, চৌম্বকত্ব, তরঙ্গ এবং শব্দ, তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ , ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস এবং এর প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমানবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর, আলোক যন্ত্রপাতি, মৌলিক কনা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িত কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ, তড়িত চৌম্বক, ট্রান্সফর্মার, এক্সরে, তেজষ্ক্রিয়তা ইত্যাদি।
জীব বিজ্ঞান: (০৫ নম্বর)
পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস্, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, হৃদপিন্ড এবং হৃদরোগ, স্নায়ু এবং স্নায়ুরোগ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন, মাইক্রোবায়োলজি, প্লান্ট নিউট্রেশন, পরাগায়ণ ইত্যাদি।
আধুনিক বিজ্ঞান: (০৫ নম্বর)
পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক রে, ব্ল্যাক হোল, হিগের কণা, বারিমন্ডল, টাইড, বায়ুমন্ডল, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, মানবদেহ, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবন ধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, জোয়ার-ভাটা, এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার, ডায়োড, ট্রানজিস্টার, আইসি, আপক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা ইত্যাদি।
এই অংশে নম্বর তোলার কাজটা তুলনামূলক সহজ হয়। কমন পশ্নগুলো রিপিট হয় বেশি। এখানে মোট ১৫ নম্বর। ভালভাবে পড়লে ব্যাংকসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও কমন পড়বে।
এই অংশের জন্য উচ্চমাধ্যমিকের 'তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি' (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), ওরাকলের 'বিসিএস প্রিলিমিনারি সাধারণ বিজ্ঞান, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি' এবং 'মাধ্যমিক কম্পিউটার' পড়বেন। এর সাথে 'ইজি কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি' বইটি পড়তে পারেন।
প্রিলির সিলেবাসে কম্পিউটারে মোট নম্বর :১০
1) Computer Peripherals: keyboard, mouse, OCR etc.
2) Computer Architecture: CPU, ALU, Hard Disk etc.
3) Computer Performance.
4) Computer in practical fields: agriculture, sports, education, communication etc.
5) Computer Number Systems.
6) Computer Operating Systems.
7) Embedded Computer.
8) History of Computer.
9) Types of Computer.
10) Computer Program: VIRUS, Firewall etc.
11) Database System.
প্রিলির সিলেবাসে তথ্যপ্রযুক্তিতে মোট নম্বর:০৫
1) E-Commerce, ICT in Practical Fields, Smart Phone, WWW, Internet, E-mail, Fax, Client-Server-Management, Mobile Features, Tech-Giants Services & News: Google, Microsoft, IBM etc. Cloud Computing, Social Networking, Robotics, Cyber Crime etc.
2) Cellular Data Network: 2G, 3G, 4G, Wimax.
3) Computer Network: LAN, MAN, WiFi, Wimax.
প্রতিযোগিতায় নিজেকে এগিয়ে রাখার প্রধান হাতিয়ার হলো ইংরেজি, গণিত এবং মানসিক দক্ষতা। গণিতে ভাল করতে হলে অাপনাকে খুব মনোযোগী এবং নিয়মিত গণিত চর্চাকারী হতে হবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাটীগণিতে ৩ নম্বরসহ গাণিতিক যুক্তিতে মোট ১৫ নম্বরের প্রশ্ন হয়। নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত (সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত টপিকগুলো) এবং পরিসংখ্যান (সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত টপিকগুলো) সমাধান করবেন। এ সকল লেভেলের টেস্ট পেপারস এর প্রশ্নগুলোও সমাধান করবেন। এর সাথে 'শাহীনস্ ম্যাথ’ বা ‘খাইরুলস বেসিক ম্যাথ’ এর প্রশ্নগুলো সমাধান করতে পারলে অাপনি রেডি।
প্রিলির সিলেবাসে গাণিতিক যুক্তিতে মোট নম্বর--১৫
1) বাস্তব সংখ্যা, ল.সা.গু. গ.সা.গু. শতকরা, সরল ও যৌগিক মুনাফা, অনুপাত ও সমানুপাত, লাভ ও ক্ষতি। (০৩ নম্বর)
2) বীজগাণিতিক সূত্রাবলি, বহুপদী উৎপাদক, সরল ও দ্বিপদী সমীকরণ, সরল ও দ্বিপদী অসমতা, সরল সহরমীকরণ। (০৩ নম্বর)
3) সূচক ও লগারদিম, সমান্তর ও গুণোত্তর অনুক্রম ও ধারা। (০৩ নম্বর)
4) রেখা, কোণ, ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ সংক্রান্ত উপপাদ্য, পিথাগোরাসের উপপাদ্য, বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য, পরিমিতি, সরলক্ষেত্র ও ঘনবম্তু। (০৩ নম্বর)
5) সেট, বিন্যাস ও সমাবেশ, পরিসংখ্যান ও সম্ভাব্যতা। (০৩ নম্বর)
অাগেই বলেছি, নিজেকে এগিয়ে রাখার প্রধান হাতিয়ার হলো ইংরেজি, গণিত এবং মানসিক দক্ষতা। এটা প্রিলি এবং রিটেন উভয় ক্ষেত্রেই সত্য। মানসিক দক্ষতার জন্য প্রিলি এবং রিটেন উভয় পরীক্ষার জন্য একই জিনিস শিখতে হয়। তাই প্রিলিতে ১৫ নম্বর এবং রিটেনে ৫০ নম্বরের প্রস্তুতি একসাথেই নিয়ে নিন। তাহলে বিসিএস ব্যাংক ও অন্যান্য সকল চাকরি পরীক্ষায় অাপনি এগিয়ে থাকবেন।
মানসিক দক্ষতার প্রস্তুতির জন্য সানোয়ার হোসেন স্যারের 'অাইকিউ ডাক্তার - বেসিক মানসিক দক্ষতা' বইটি ফলো করুন। বইটি মানসম্মত এবং সহজপাঠ্য। এর পাশাপাশি সিলেবাসের টপিকগুলো নিয়ে ইউটিউবের মানসিক দক্ষতা বিষয়ক ভিডিওগুলো দেখতে পারেন।
প্রিলিমিনারির সিলেবাসে মানসিক দক্ষতায় মোট নম্বর-১৫
1) Verbal Reasoning (ভাষাগত যৌক্তিক বিচার)
2) Spelling and Language (বানান ও ভাষা)
3) Mechanical Reasoning (যান্ত্রিক দক্ষতা)
4) Space Relation ( স্থানাংক সম্পর্ক)
5) Numerical Ability ( সংখ্যাগত ক্ষমতা)
6) Problem Solving (সমস্যা সমাধান)
এই অংশটি বুদ্ধি, অাচরণগত নিপুণতা ও কমন সেন্স নির্ভর উত্তরের জায়গা। এই অংশে ভাল করতে মোজাম্মেল হক স্যারের 'পৌরনীতি ও সুশাসন' বই থেকে চর্চা করুন। এর সাথে প্রফেসরস মডেল টেস্ট বই থেকে এই অংশের প্রশ্নগুলো সমাধান করতে পারেন। অবশ্য অন্যান্য বিষয়ের জন্যও মডেল টেস্ট বইটিকে কাজে লাগাতে হবে। এই অংশের ভুলে যাওয়ার মত তথ্যগুলো নিয়ে ছোট একটি নোট করে পড়তে পারেন।
প্রিলির সিলেবাসে নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসনে মোট নম্বর: ১০
1) Definition of Values, Education and Good Governance ;
2) Relation Between Values, Education and Good Governance;
3) General Perception of Values, Education and Good Governance;
4) Importance of Values, Education and Good Governance in the life of an individual as a citizen as well as in the making of society and national ideas;
5) Impacts of values, Education and Good Governance in national development.
6) How the element of Good Governance, Values & Education can be established in society in a given social context.
7) The benefits of Values, Education and Good Governance, and the cost of society in their absence.
#সকল বিষয়ের সার্বিক প্রস্তুতি সহায়িকা হিসাবে কনফিডেন্স রিসার্চ ওয়ার্কের ছোট ছোট (সংক্ষিপ্ত) বইগুলো পড়ুন। ডাইজেস্ট হিসাবে ‘ইনসেপশন বিসিএস প্রিলিমিনারি ডাইজেস্ট' বইটি সংগ্রহে রাখতে পারেন।
#ব্যাংকসহ অন্যান্য জব-পরীক্ষায় ভালো করার জন্য বিসিএস এর সিলেবাসের পাশাপাশি 'Key to Bank Job' থেকে ব্যাংকে অাসা প্রশ্নগুলো সমাধান করুন। এর সাথে Saifur's 'Bank Written Math' এবং Dr. R.S. Aggarwal এর 'Quantitative Aptitude' বই থেকে গণিত অনুশীলন করুন। এছাড়াও 'Indiabix English and Computer Technology' এবং 'Indiabix Math' বই থেকে চর্চা করতে পারেন।
#যা_পড়বেন, প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যসহ পড়ুন। যখন অাপনার শেখা অংশ থেকে কিছু ভুলে যাবেন, তখন শুধু সেই তথ্যটি দেখে নেয়ার মধ্যে সন্তুষ্ট না থেকে পুরো টপিকটা দেখে নেয়ার চেষ্টা করুন। নতুন কিছু যখন শিখবেন, তখন একটিমাত্র তথ্য না শিখে প্রয়োজনীয় প্রাসঙ্গিক তথ্যগুলো শিখে নিবেন।
#নিজের দুর্বলতা নিয়ে কাজ করুন। যা কিছু পারেন না, তা সিনিয়র বা জুনিয়র যে পারে, তার কাছে নির্দ্বিধায় শিখে নিন। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে হল নাই। তাই সিনিয়র বা জুনিয়রদের সময়মত পাওয়া সহজ না। সেক্ষেত্রে মোবাইল, হোয়াটস অ্যাপ, ফেসবুক ইত্যাদির মাধ্যমে যোগাযোগ করুন। প্রয়োজনে প্রশ্নের ছবি পাঠিয়ে সমাধান নিতে পারেন। প্রতিটি বিষয়ে কী কী পারেন না বা কম পারেন তা লিস্ট করে সময় বেঁধে বেঁধে শিখে নিন। মনে রাখার স্বার্থে একই তথ্য একাধিক উৎস থেকে পড়ুন।
লেখার গতি কম হলে, সময় বেঁধে লেখা শেষ করার চর্চা করুন।
#তথ্য সংগ্রহ করুন। অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, সংসদ অধিবেশন, দৈনিক পত্রিকা, গুগল, উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া ইত্যাদি থেকে তথ্য একটি নোটখাতায় লিপিবদ্ধ করে পড়ুুন। কোনো তথ্য নিয়ে সন্দেহ হলে ক্রস ভেরিফিকেশন করে নিন। অামিও এটা করেছিলাম। মজা করে অামার নোটখাতাটির নাম দিয়েছিলাম 'টুকিটাকি ডট কম'। এর ছোট ছোট তিনটি ভলিউম ছিল। অামি বারবার তা রিভাইস করতাম। বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত এই তথ্যগুলো প্রিলিমিনারিতে অামার জন্য দারুণ কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।
#মনে রাখার ব্যাপারে কৌশলী হোন। যেসব তথ্য পরস্পর সম্পর্কযুক্ত, সেগুলো একসাথে পড়ুন। কিছু কিছু তথ্যের জন্য নেমনিক ব্যবহার করতে পারেন। মোবাইলের নোটপ্যাডে লিখে রেখে কিছুক্ষণ পরপর পড়ে অায়ত্ত্ব করতে পারেন। আমার আরেকটি নোট খাতা ছিল। যেসব তথ্য মনে থাকতে চাইত না, সেসব তথ্য ঐ খাতায় ছোট করে লিখে রাখতাম। এই খাতাটির নাম দিয়েছিলাম 'মুখস্ত বিদ্যার খাতা'। এছাড়াও, অর্থনৈতিক সমীক্ষা থেকে প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের বাছাইকৃত কয়েকটি অনুচ্ছেদ, এমডিজি এর লক্ষ্যসমূহ, এসডিজি থেকে কিছু অভীষ্ট, সাম্প্রতিক অতি গুরুত্বপূর্ণ সমীক্ষার রেজাল্টসমূহ, পত্রিকা থেকে প্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একই খাতায় লিখে রাখতাম এবং নিয়মিত পড়তাম।
#সিলেবাসের একটা অংশ টারগেট করে সময় বেঁধে নিয়ে সেই অংশটা শেষ করুন। এভাবে পুরো সিলেবাস অায়ত্ত্বে নিয়ে অাসুন। তবে এক বিষয় পড়ার সময় অন্য বিষয়গুলোর কথা ভুলে যাবেন না, অল্প করে হলেও অন্য বিষয়গুলো নিয়মিত পড়া/রিভাইসের মধ্যে রাখবেন।
#ব্যক্তিগত পড়া ঠিক রেখে গ্রুপ স্টাডি করতে পারেন। আমিও করেছি। গ্রুপ স্টাডি, আনুষ্ঠানিক পড়াশোনা, পরীক্ষা- এই বিষয়গুলো যে কোনো পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ব্যাপক সহায়ক হয়। ব্যক্তিকেন্দ্রিক পড়াশোনার ক্ষেত্রে ক্লান্তি, ফেসবুক, ইন্টারনেট ইত্যাদির হামলা থেকে রক্ষা পাওয়া কঠিন। কিন্তু গ্রুপ স্টাডি আর আনুষ্ঠানিক পড়াশোনার সুযোগ থাকলে এসব থেকে মু্ক্তি পাওয়া সহজ হয়। তাই সময় বাঁচে, মনেও থাকে সহজে। তবে এটা সেকেন্ডারি। নিজের মূলধন বাদ দিয়ে এটা করা যাবে না। দিনশেষে অাপনার ব্যক্তিগত প্রস্তুতি ভাল থাকা লাগবেই।
#মডেল টেস্ট বই থেকে প্রশ্নসমূহের উত্তর পড়ে নিন। নিজে বাসায় পরীক্ষা দেয়ার দরকার নেই। পরীক্ষা দিতে হলে অানুষ্ঠানিকভাবে দিন। নিজেরা গ্রুপ করে অথবা কোচিং সেন্টারে গিয়ে পরীক্ষা দিতে পারেন। অামি প্রফেসরস, অ্যাসিউরেন্স এবং ওরাকলের মডেল টেস্ট বই পড়েছি (বাসায় নিজে নিজে পরীক্ষা দেইনি)।
#সময় বের করে নিন। অাপনাদের মত অামারও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া, বিসিএস প্রস্তুতি এবং টিউশন পড়ানো একসাথে চালাতে হয়েছিল। অনেক ছাত্র-ছাত্রীকে পড়াতাম। কমপক্ষে আটটি টিউশন সবসময় হাতে রাখতাম। ব্যস্ততার মাঝে প্রস্তুতি নিয়েছি বলে যখনই কিছুটা অবসর পেতাম, তখনই হাতে থাকা বই থেকে বা নোটখাতা থেকে অথবা মোবাইলে ছবি তোলা বইয়ের পৃষ্ঠা থেকে অন্তত একটা পৃষ্ঠা পড়ে নিতাম। গাড়িতে বসে বসেও অনেক পড়েছি। ব্যস্ততার কারণে প্রস্তুতির জন্য খুব বেশি স্থূল সময় না পেলেও, চিকন সময়গুলোকে হাত ছাড়া করিনি কখনও।
#সংগ্রামী হোন। অাপনাদের সীমাবদ্ধগুলো অামিও বুঝি। একই গোয়ালের গরু তো! একবার পিছনে ফিরে দেখুন। কত মানুষ অাপনার দিকে তাকিয়ে রয়েছে। তাদের জন্য লড়ুন। সফলতাকে ধরুন। সে মানুষের জন্য অপেক্ষা করে কিন্তু নিজে পায়ে হেঁটে কাছে অাসবে না, অাপনাকেই তার কাছে যেতে হবে; এগিয়ে যান।
#পড়াশোনায় নিয়মিত থাকুন এবং ভাইভা পর্যন্ত লেগে থাকুন। সম্ভব হলে একটি মানসম্মত কোচিং টিমের এর সাথে থাকতে পারেন। তাঁরা আপনাকে পড়াশোনায় নিয়মিত থাকতে সাহায্য করবে।
প্রত্যেকের স্বপ্ন পূরণ হোক। সবার জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইল। ধন্যবাদ।







No comments:

Post a Comment